Leave a comment

ব্যবসার শুরুতেই সব ধরনের অফিসিয়াল কাগজপত্র যা আপনার নিত্যদিনের দরকার হতে পারে

ব্যবসার শুরুতেই সব ধরনের কাগজপত্র যা আপনার নিত্যদিনের দরকার হতে পারে। জেনে রাখুন:

– সংগঠনের গঠনতন্ত্র (সত্যায়িত) 

– অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র (সত্যায়িত) 

– সংগঠনের পূর্ণ নাম, ঠিকানা ও প্রতিষ্ঠার তারিখ (সত্যায়িত) 

– প্রতিষ্ঠাতার পূর্ণ পরিচিতি (সত্যায়িত) 

– নির্বাহী কমিটির সদস্যগণের পূর্ণ পরিচিতি (সত্যায়িত) 

– সংগঠনের আয় ও ব্যয়ের হিসাব (সত্যায়িত) 

– নির্বাহী কমিটির সদস্যগণের এনআইডি এর সত্যায়িত কপি 

– নির্বাহী কমিটির সদস্যগণের নিজ স্বাক্ষরযুক্ত নামের তালিকা 

– নির্বাহী কমিটির সদস্যগণের ২ কপি ছবি (সত্যায়িত) 

– সকল কাগজপত্রে সভাপতি ও জিএস এর নামযুক্ত সীল ও স্বাক্ষর থাকতে হবে। 
– সকল কাগজ পত্র ২ কপি। 

ট্রেড লাইসেন্স

ট্রেড লাইসেন্স খোলার জন্যে নিন্মোক্ত কাগজপত্র এবং অনুমতি-পত্র লাগবে। 

সাধারণ ট্রেড লাইসেন্সঃ 

ভাড়ার রশিদ অথবা চুক্তিপত্রের সত্যায়িত কপি, এবং হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের রশিদের কপি।

শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্রেড লাইসেন্সঃ 

উপরোক্ত সবগুলি ডকুমেন্টসমূহ, এবং এর সাথে-

– পরিবেশ সংক্রান্ত অনাপত্তি পত্র

– প্রতিষ্ঠানের অবস্থান চিহ্নিত মানচিত্র

– অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র

– ডি.সি.সি. র নিয়মাবলী মেনে চলা হবে এমতে ১৫০ টাকার জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারপত্র

– ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি

ক্লিনিক অথবা ব্যক্তিগত হাসপাতালের ক্ষেত্রেঃ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন।

লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রেঃ

– মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল

– সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন

• ছাপাখানা ও আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে – ডেপুটি কমিশনারের অনুমতি

• রিক্রুটিং এজেন্সীর ক্ষেত্রে – মানবসম্পদ রপ্তানী ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স

• অস্ত্র ও গোলাবারুদের ক্ষেত্রে – অস্ত্রের লাইসেন্স

• ঔষধ ও মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে – ড্রাগ লাইসেন্সের কপি

• ট্রাভেলিং এজেন্সীর ক্ষেত্রে – সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি

ব্যবসার নাম রেজিঃ

প্রথমেই নিতে হবে আপনার পছন্দের কোম্পানীর নামের ছাড়পত্রঃ

একটি কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশনের এটি হলো প্রথম ধাপ। আপনি বা আপনার যে প্রতিষ্ঠানের রেজিষ্ট্রেশন করতে চান সেই প্রতিষ্ঠানের নামে আগে কোন প্রতিষ্ঠান রেজিষ্ট্রেশন হয়েছে কিনা তা খুজে দেখাই এ পর্যায়ের উদ্দেশ্য। যাতে কিনা একই নামে একাধিক প্রতিষ্ঠান রেজিষ্ট্রেশন না হয়। নামের ছাড়পত্র হলো কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর একটি অপরিহার্য ডকুমেন্ট।

নামের ছাড়পত্র নেয়ার জন্য যে সকল নিয়ম মেনে চলতে হবে তাহলোঃ

ক) প্রথমেই এই লিংক এ http://www.roc.gov.bd:7781 গিয়ে একটি আইডি খুলুন।

খ) নামের ছাড়পত্র চেয়ে একটি আবেদন করতে হবে।

গ) আবেদন পত্রটি রেজিষ্ট্রার জয়েন্টস্টক এর বরাবর করতে হবে।

ঘ) নামের ছাড়পত্রের জন্য নির্ধারিত ফি, নির্ধারিত ব্যাংক এ জমা রশিদ সাথে দিতে হবে।

ঙ) আপনার পছন্দের নামটি অন্য আগের যে কোন নামের সাথে মিলে যেতে তাই আগে থেকেই তিনটি নাম আবেদনপত্রে উল্লেখ করে দেওয়া ভাল।

চ) নামের ছাড়পত্রটি ১৮০দিন পর্যন্ত বহাল থাকবে এর মধ্যেই আপনাকে রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ফি জমা দিতে হবে। অন্যথায় আপনার নামের ছাড়পত্রটি বাতিল হয়ে যাবে।

কোম্পানী রেজি:

আবেদনকারী তার নামের ছাড়পত্র নিয়ে তার কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র সহ নির্ধারিত আবেদর ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করবেন।যেভাবে আবেদন করতে হবে-

ক) রেজিষ্ট্রেশনের জন্য নির্ধারিত ফি, নির্ধারিত ব্যাংক এ জমা দিতে হবে।

খ) জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর নির্ধারিত ফরমে কোম্মেপানীর মোমোরেন্ডাম এবং আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন তৈরী করতে হবে। কোম্পানীর ধরন অনুযায়ী আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।

গ) জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর নির্ধারিত ফরমে জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর ওয়েব সাইটে গিয়ে অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদন করতে হবে।

কিভাবে অনলাইনে কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদন করবেন?

কোম্পানী আইন ১৯৯৪ এর ধারা অনুযায়ী প্রাইভেট এবং পাবলিক লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে-
কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য পুনরায় এই লিংক- http://www.roc.gov.bd:7781 এ প্রবেশ করতে হবে।

-এবার Apply for Registration এ ক্লিক করুন
– এবার কোম্পানীর ধরন চিহ্নিত করুন।

-এবার আপনার কোম্পানীর নামের ছাড়পত্রের সিরিয়াল নম্বর (Submission no.) এবং আবেদন নম্বর (Letten no) বসিয়ে Continue বাটন এ ক্লিক করে কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর পাতায় প্রবেশ করুন।

– নির্ধারিত ফরমটিতে প্রয়োজনী তথ্যগুলো শতর্কতার সাথে পূরন করুন।

– এবার মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়শন (Memorandum of Association) নির্ধারিত ফরমেট এ তথ্য বসিয়ে পূরন করুন।

– এবার আর্টিকেল অব এসোসিয়শন (Article of Association) নির্ধারিত ফরমেট এ তথ্য বসিয়ে পূরন করুন।

বিঃ দ্রঃ- মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়শন (Memorandum of Association) ও আর্টিকেল অব এসোসিয়শন (Article of Association) এর নমুনার (Sample) জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন-

http://www.roc.gov.bd:7781/psp/notice?p_notice_id=16

-এবার ভাল করে পূনরায় মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়শন (Memorandum of Association) ও আর্টিকেল অব এসোসিয়শন (Article of Association) এর সকল তথ্য ভাল করে একাধিক বার চেক করুন তারপর Submit করে Continue করুন।

-এবার টাকার রশিদের তথ্য দিন এবং Submit করুন।

৩- রেজিষ্ট্রেশন ফিঃ

কোম্পানীর মূলধনের উপর নির্ভর করে আপনার প্রতিষ্ঠান রেজিষ্ট্রেশন করতে কতো টাকা বা ফি লাগবে তা হিসাব করবার জন্য এই লিংকটি ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন- http://www.roc.gov.bd:7781

ফি ক্যালকুলেটর (Fee Calculator) থেকে ফি ক‌্যালকুলেশন করতে পারবেন।

টিন নাম্বার

নতুন করে বোধহয় বলবার দরকার নেই যে ব্যক্তি করসীমা এখন ১,৬৫,০০০ টাকা। যাই হোক টি.আই.এন করতে হলে প্রথমেই জানতে হবে আপনার কর অঞ্চল এবং সার্কেল অফিস।

যদি আপনার নাম A, B, C, D, E অথবা F দিয়ে শুরু হয় তবে-বৈতনিক সার্কেল ৭, কর অঞ্চল ৪, ঢাকা (ফোন: ৯৩৩০০৪০)

যদি আপনার নাম M দিয়ে শুরু হয় তবে-বৈতনিক সার্কেল ৮, কর অঞ্চল ৪, ঢাকা (ফোন: ৯৩৩০১৫২)

[যারা নামের শুরুতে মোহাম্মদ পুরোটা লিখেন তারা এখানে কাগজ জমা দেবেন। আর যাদের নামের শুরুতে “মো:” তারা নামের পরের অংশ যে আদ্যাক্ষর দিয়ে শুরু সেই সার্কেলে কাগজপত্র জমা দেবেন। যেমন কারও নাম যদি হয় মো: বদিউজ্জামান, তাহলে তার সার্কেল অফিস হবে ৭।]

যদি আপনার নাম G, H, I, J, K অথবা L দিয়ে শুরু হয় তবে -সার্কেল ৪১, কর অঞ্চল ৪, ঢাকা (ফোন: ৯৩৩৬৭৩৭)

যদি আপনার নাম N, O, P, Q, R, S, T, U, V, W, X অথবা Z দিয়ে শুরু হয় তবে -সার্কেল ৪৩, কর অঞ্চল ৪, ঢাকা (ফোন: ৯৩৫২৯০৭)

জেনে গেলেন আপনার সার্কেল অফিস ও কর অঞ্চল। সবক’টি অফিসই সেগুন বাগিচায় জাতীয় রাজস্ব ভবন-এর বিপরীত পাশে একটি গলির ভিতরে।

১। এবার আপনার নামের আদ্যাক্ষরের সাথে মিলিয়ে যে সার্কেল অফিস ও কর অঞ্চল হয় তার উপ-কর কমিশনার বরাবর ১০০০ টাকার একটি পে-অর্ডার করে ফেলুন যে কোন ব্যাংক থেকে।

২। এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন তিন পাতার এ্যাপ্লিকেশন ফরমটি ও পূরণ করুন। [ফরম-এর ৮ নং ঘরে পে-অর্ডার নাম্বার, তারিখ, ব্যাংকের নাম ও শাখার নাম লিখুন]

৩। এ্যাপ্লিকেশন ফরমটির দুই কপি জমা দিতে হবে ফলে মোট আপনার দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগবে। ছবি সত্যায়িত করার দরকার নাই।

৪। যে প্রতিষ্ঠানে চাকরী করছেন তার আই.ডি কার্ডের ফটোকপি অথবা শেষ মাসের বেতন বিল অথবা পুরো বছরের বেতনের স্টেটমেন্ট -এর যে কোন একটির প্রয়োজন হবে।

তাহলে আরেকবার চেক করে নিই কাগজপত্রগুলো।

ক। পাসপোর্ট সাইজ ছবি সহ দুই কপি পূরনকৃত আবেদন ফরম।

খ। ব্যাংকের পে-অর্ডার

গ। ৪নং পয়েন্টে উল্লেখ করা যে কোন একটি কাগজ।

সাবধানতার জন্য বা রেকর্ড রাখার জন্য পুরো সেটের ফটোকপি করে রাখুন এবং কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দেয়ার সময় ফটোকপি সঙ্গে রাখুন।

কাগজ জমা দেবার সময় তারা একটি রিসিট দেবে অথবা আপনার কাগজের ফটোকপিতে রিসিভ লিখে দেবে। স্বাভাবিক নিয়মে একমাসের মধ্যে টি.আই.এন নাম্বার পেয়ে যাবার কথা।

ভ্যাট নিবন্ধন

মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এবং মূল্য সংযোজন কর বিধিমালা ১৯৯১ এর মাধ্যমে ১ জুলাই ১৯৯১ সাল হতে বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আরোপিত। মূসক আইনের মাধ্যমে সুনির্দিষ্টভাবে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ছাড়া অন্যান্য সকল পণ্য ও সেবা সরবরাহের উপর মূসক ধার্য করা হয়। ‘সরবরাহ’ বলতে কোন প্রস্তুতকারক বা উৎপাদক কর্তৃক উৎপাদিত বা প্রস্তুতকৃত অথবা কোন ব্যবসায়ী কর্তৃক আমদানিকৃত, ক্রয়কৃত, অর্জিত বা অন্যকোনভাবে সংগৃহীত কোন পণ্য পনের বিনিময়ে বিক্রয়, হস্তান্তর, ইজারা বা অন্যকোনভাবে নিষ্পত্তি করা বোঝায়। উল্লেখ্য যে, প্রচলিত মূসক এর হার ১৫%।

ফরম ‘মুসক-৬’ এ সংশ্লিষ্ট এলাকার মূসক বিভাগীয় কর্মকর্তার নিকট আবেদন করে উক্ত কর্মকর্তার দপ্তর হতে মূসকযোগ্য পণ্যের ব্যবসায়ীকে মূসক নিবন্ধন গ্রহণ করতে হবে। ভ্যাট নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্রের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১. নির্ধারিত ফরমে প্রত্যয়নপত্র [পরিশিষ্ট-২.২]

২. টিআইএন (টিন)

৩. ট্রেড লাইসেন্স

৪. লিমিটেড কোম্পানি হলে মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশন এবং সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন

৫. আইআরসি (Import Registration Certificate)/ ইআরসি (Export Registration Certificate) (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

৬. কারখানার নকশা

৭. বাড়ি ভাড়ার চুক্তিনামা/মালিকানার দলিল

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র জমা দিলে মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে মূসক নিবন্ধন পাওয়া যায়। মূসক নিবন্ধন গ্রহণ করতে কোন ফি দিতে হয় না।

বিস্তারিত তথ্যের জন্যঃ
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০
ফোন ঃ ৮৩১৮১২০-২৬, ৮৩১৮১০১-০৮
ওয়েবঃ http://www.nbr-bd.org/

দলিল ও চুক্তিপত্র

জেনে, বুঝে ঠিক কত টাকার স্ট্যাম্প আপনার চুক্তির জন্য প্রয়োজন পরবে তা নিচের লিস্ট থেকে বেছে নিনঃ 

##রাজউকের প্লট এবং ট্যাক্সের দলিলের জন্য মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প 

##ট্রাস্ট ডিড-ক্যাপিটাল দলিলের জন্য মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প 

##অছিয়তনামার কপির জন্য ৩০ টাকার স্ট্যাম্প 

##নকলের কবলা দলিল, বন্ড, বণ্টননামা, সার্টিফাইড কপির দলিলের জন্য ৫০ টাকার স্ট্যাম্প 

##অনুলিপি, খাস-মোক্তারনামা দলিলের জন্য ১০০ টাকার স্ট্যাম্প 

##হলফনামা, বায়নার হলফনামা, হেবার ঘোষণাপত্র, নাদাবি পত্র, বাতিলকরণ দলিলের জন্য ২০০ টাকার স্ট্যাম্প 

##চুক্তিনামা দলিল, অঙ্গীকারনামা, বায়নানামার দলিল, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাগ্রিমেন্ট 

##রিডেম্পশন, সোলেনামা বা আপসনামার দলিলের জন্য ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প 

##আমমোক্তারনামা দলিল এবং সাফকবলা দলিলের জন্য ৪০০ টাকার স্ট্যাম্প 

##তালাকের হলফনামার দলিলের জন্য ৫০০ টাকার স্ট্যাম্প 

##পার্টনারশিপ বা অংশীদারি দলিলের জন্য ২০০০ টাকার স্ট্যাম্প 

##মর্টগেজ বা বন্ধকের দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে- 

ক. এক টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০০০ টাকা 

খ. ২০ লাখ এক টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত পাঁচ হাজার টাকার স্ট্যাম্প। 

গ. এক কোটি এক টাকার ওপরের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকার এবং প্রতি লাখের জন্য ২ শতাংশ হারে মোট টাকার মূল্যমানের স্ট্যাম্পে সম্পাদন করতে হবে। 

২০১২-১৩ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে দলিল সম্পাদনের জন্য স্ট্যাম্পের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এক্সপোর্ট- ইম্পোর্ট

আপনি যদি ঢাকাতে থাকেন তাহলে আপনাকে সিটিকর্পোরেশন থেকে লাইসেন্স ফি জমা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। নিদিষ্ট ফি ছাড়াও আপনাকে আপনার ব্যবসার ধরণ অনুযায়ী ফি দিতে হবে যেমন আমদানীকারকের ফি, রপ্তানীকারকের ফি। এভাবে যোগ করে আপনাকে সোনালী ব্যংকের নির্দিষ্ট কয়েকটি শাখায় জমা দিতে হবে এই ব্যাপারে আপনি চাইলে আপনার এলাকার সিটিকর্পোরেশন অফিসের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

নতুন লাইসেন্স ফি ২২৫০ টাকা +সাইবোর্ড কর ৩৭৫ টাকা +নতুন বই ১০০ টাকা+সার চার্জ ৫৬৩+ব্যংক ৫ টাকা+আপনি যদি সরাসরি নিজ দায়িত্বে এইসব লাইসেন্স করতে যান তা হলে আপনাকে অনেক ঝামেলায় পড়তে হবে। আপনি এই বিষয়গুলো মতিঝিলে সিটি সেন্টারের বিপরীতে চা-বোর্ড অফিসের সাথে আলোচনা করে রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এখানে আরো উল্লেখ্য যে, আমদানী রপ্তানী ব্যবসা শুরু করার পূর্বে আপনাকে অবশ্যই যে কোন চেম্বারের সদস্য হতে হবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ ইন্ডেন্টিং এসোশিয়েশন ইত্যাদি।

আমদানী নিবন্ধন ফি ১৫,২০০ টাকা (সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা)। প্রতি বছর দিতে হবে ১৭,৭০০ টাকা। রপ্তানী নিবন্ধন ফি ৩,২০০ টাকা। আর আপনি যদি ইনডেন্টিং ব্যবসা করেন তা হলে ইনডেন্টিং নিবন্ধন ফি ২৫,২০০ টাকা দিতে হবে। এসব ফি বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকে নিদিষ্ট একটি চালান ফর্মে দিতে হবে।

লেখক :
সোয়েব রহমান
এলএল.এম.
অ্যাডভোকেট

(লেখাটি স্বত্ব সংরক্ষিত, অন্যত্র কপি/নকল বারিত।তবে স্বত্ব উল্লেখপূর্বক হুবহু প্রিন্ট অথবা শেয়ার করতে বাধা নেই।)
Posted from
Shoaib Rahman
LL.M. Advocate

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: